These tips cando the task for anybody, aside from the language arts curriculum used.

We have the ideal writing support on the web to day. Customer service is truly pleasant! A client receives an entirely free version guarantee. New and returning clients are consistently able to cut costs when buying essays within our site You may take a break certain that you’ll earn a fruitful buy in your site While selecting a actual site one has to make sure to thoroughly review the net because everything may be online and without seeing anyone.

বিস্তারিত
কথোপকথন দিনলিপি 

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে ডা. আশিকুর রহমান রনক

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে ঈদুল আজহার সময় ঢাকার বাইরের প্রস্তুতি কেমন ছিল, তা জানতে আমরা কথা বলেছি বাগেরহাট জেলার এক উপজেলা কমপ্লেক্সে কর্মরত ডাক্তার আশিকুর রহমান রনকের সঙ্গে। তিনি তার অভিজ্ঞতা থেকে সেখানকার প্রস্তুতি ও বাস্তবতার কথা যেমন বলেছেন, তেমনি দিয়েছেন সচেতনতামূলক পরামর্শ। দিনলিপির পক্ষে ড. রনকের সাক্ষাৎকার করেছেন ফাহমিদা উর্ণি। দিনলিপি: আপনিতো ঢাকার বাইরে কাজ করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, রামপাল, বাগেরহাটে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার পদে কর্মরত আছেন। সেখানকার ডেঙ্গু পরিস্থিতি কী? ডা. আশিকুর রহমান রনক: ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে একজন মাত্র রোগী এখানে এসেছিলেন চিকিৎসা নিতে। তিনি দুইদিন ভর্তি ছিলেন।…

বিস্তারিত
সহযোদ্ধার ভাবনাবিশ্ব 

শিশুপাঠ্যে বিদ্বেষের বীজ

চিত্রকলা, তথা ছবির একটা মজার দিক হচ্ছে – এটা এমন একটা মাধ্যম যা সহজেই আমাদের মস্তিষ্কের স্থান দখলে সক্ষম। কোনও কিছু লিখে বা পড়ে আপনি যত সহজে তা স্মৃতিতে রাখবেন, একটা ছবি দিয়ে আপনি আরও সহজে তা করতে পারেন যা কিনা দীর্ঘস্থায়ী’ও বটে। আর সেই ছবি যদি হয় রঙিন, তাহলে তো কথাই নেই। এ কারণেই ছোটদের বই সবসময় অনেক রঙিন হয়। অক্ষর পরিচিতির জন্য বর্ণমালার বই থেকে শুরু করে, ছড়া, কবিতা, এমনকী গল্পের বইগুলো অনেক বেশি রঙিন করা হয়। এতে বাচ্চাদের মনসংযোগ সহজ হয়। স্কুল বা প্রি-স্কুলে যাওয়ার আগে থেকেই…

বিস্তারিত
সহযোদ্ধার ভাবনাবিশ্ব 

চামড়া কি খাওয়া যায়, নাকি পুঁতে ফেলাই বিপ্লব?

চামড়া বিষয়ে একদল বলছেন, দাম যখন পাওয়া যাচ্ছে না, তখন প্রতিবাদ স্বরূপ মাটিতে পুঁতে ফেলুন। আরেকদল বলছেন, চামড়া খাওয়া যায়। তারা শিখাচ্ছেন চামড়া খাওয়ার প্রক্রিয়া। একদল বুদ্ধিজীবী রয়েছেন, তারা মুখ গম্ভীর করে জানান দিচ্ছেন, চামড়া রাষ্ট্রীয় সম্পদ তা পুঁতে ফেলা বা নষ্ট করা উচিত নয়। ইত্যাদিসব নছিহত শুনতে শুনতে জান অস্থির। মনে হচ্ছে, যে জাতি সমস্যার স্বরূপ চিনতে ব্যর্থ হয়। প্রতিবাদের গতি-প্রকৃতি নির্ধারণ করতে পারে না। নিজেদের বেঁচে থাকার স্বার্থে এক হতে পারে না। সম্মিলিত চিন্তা করতে পারে না। তাদের দিয়ে কী হবে! পোকারাও এক সাথে শব্দ তোলে, শেয়ালেরাও হুক্কাহুয়া।…

বিস্তারিত
যে ঘটনা খবর হয়নি 

ডেঙ্গু রোগীদের থাকার জন্য নিজেদের চেম্বারও ছেড়ে দিয়েছেন ডাক্তাররা

ডাক্তারদের বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই আমাদের। তবে সংবাদকর্মীর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমি তাদের মানবিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা দেখে অভিভূত হয়েছি। সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করছেন ডাক্তাররা, আসলে তারা সামর্থ্যের চেয়েও বেশিকিছু করার চেষ্টা করছেন। ঈদের আগে আগস্টের প্রথম সপ্তাহে সরেজমিনে দেখেছি, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল, মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল, সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতাল, বেসরকারি গ্রিন লাইফ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, স্কয়ার হাসপাতাল, হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালের বাস্তবতা। কোনও কোনও হাসপাতালের আইসিইউ থেকে…

বিস্তারিত
দিনলিপি 

ডেঙ্গু পরিস্থিতি: সাংবাদিকরা কি প্যানিক ছড়িয়েছে?

স্বাস্থ্য বিটের একজন সংবাদকর্মী হিসেবে ঢাকার ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে প্রত্যক্ষ করতে হয়েছে আমাকে। নিঃসন্দেহে এটা ভয়াবহ পরিস্থিতি। চিকিৎসকরা বলছেন ডেঙ্গু পরিস্থিতি মহামারী পর্যায়ে গেছে। একই ধরনের মত জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করেন বা যাদেরকে আমরা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলে জানি তাদেরও। ঢাকার ভেতরে-বাইরে সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা দেখলে বোঝা যায় পরিস্থিতি কতোখানি ভয়াবহ। জুলাই মাসের শুরুর দিকে আমরা বলছিলাম, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মহামারীর দিকে যাচ্ছে। একটা সময় আমরা এসে দেখতে শুরু করলাম, কোনও হাসপাতালে সিট নাই। প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, মালিবাগের সিরাজুল ইসলাম মেডিকেলে গিয়ে দায়িত্বরত একজনকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা ডেঙ্গু রোগীকে…

বিস্তারিত
Uncategorized 

ফাগুন বাবা, বন্ধুরা ঈদে ফিরছে তুই বাড়ি ফিরবি না?

ফাগুন, তোর সব বন্ধুরা ঈদে বাড়ি ফিরছে, তুই ফিরবি না বাবা? জানি, তুই ফিরবি না। তবু ইচ্ছেতো জাগেরে বাবা। তুইও তোর বন্ধুদের সাথে ফিরে আয়। সব ইচ্ছে পূরণ হয় না তাও জানি; সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট নিয়মেই চলে সবকিছু। তুই ফিরলে সেই নিয়মতো উল্টে যাবে বাবা, ঈশ্বর যাবেন ভয়ানক ঝামেলায় ফেঁসে।  জানি, তুই ফিরলে ফিরতি ঈদের দু’দিন আগে। মানুষ আতংকে রয়েছে ডেঙ্গু নিয়ে। প্রতিদিন আসছে করুণতম সব মৃত্যুর খবর। দুই চলে আসতে পারতি, আমরাও চাইতাম তুই তাড়াতাড়ি চলে আয়। কিন্তু খবর ফেলে, দায়িত্ব ফেলে শুধু নিজের কথা চিন্তা করে চলে আসতি না…

বিস্তারিত
কাব্য গাহন 

কাকন রেজার ‘রঙের পদ্য’

মৃত্যুর মিছিলে দেখি নায়িকার ঝাড়ু‘উনি’ ভাবে এই ভালো, সঙ্গেতে নর্তকী, অষুধেতে দারু। সেশনটা শেষ হোক দেখি তারপরলেসনটা দিয়ে দিতে হই তৎপর। ছবি তোলো, ধোঁয়া ছাড়ো, নটী বিনোদিনীতোমাদের চেহারাটা ভালো করি চিনি,ঝিম মেরে ভাসো তুমি তেলে আর জলেকিভাবে যে মেশো তুমি, কোন কৌশলে! রঙ মেখে সঙ সেজে তালে আছো ঠিকতাল বুঝে আঁধারেতে, সময়েতে ক্লিক,ভালো ভালো খুব ভালো, শিখে নিতে চাইতোমাদের সাথে যেন মিশে যেতে পাই। মিশে গিয়ে রবো ভালো খুব ঝালে-ঝোলেপেছনেতে ধামাধারা শ্লোগানেতে বলে,আমাদের ভাই হলো ফুলের মতনটাকা-কড়ি, নারি-গাড়ি করেন যতন। শেখান কৌশল তার, খুব চায় মনে টিভি আর ফেসবুকে দেখে…

বিস্তারিত
যে ঘটনা খবর হয়নি 

বন্যাদুর্গত খামারি আর পশু মালিকদের জন্য জনপ্রতি বরাদ্দ ১ টাকা ৩৩ পয়সা

বন্যাদুর্গত বগুড়া জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সারিয়াকান্দি উপজেলা। সেখানকার চালুয়াবাড়ি ইউনিয়নের যমুনা নদীর দুর্গম ১১ চরের বাসিন্দাদের বিপন্নতা সহ্যাতীত। চরগুলোর হাজারো মানুষের বসতভিটা নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। খোলা আকাশের নিচে বসত গড়েছেন অনেকেই। অথচ দুই সপ্তাহেও সেখানে পর্যাপ্ত ত্রাণ পৌঁছায়নি। কাজলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দুর্গত পরিবারের সংখ্যা ৪৩০। ১৫ কেজি করে চাল পেয়েছে ৩৩৩ পরিবার। ১০০ পরিবার এখনো ত্রাণ পায়নি। কামালপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে বানভাসি ৫০০ পরিবার বাঁধে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের মধ্যে ত্রাণ পেয়েছে ২০০ পরিবার। জেলায় বন্যায় কৃষি, মৎস্য, গবাদিপশু ও রাস্তাঘাটের ক্ষতি মিলিয়ে প্রায়…

বিস্তারিত
সহযোদ্ধার ভাবনাবিশ্ব 

‘ঘরের ধান বস্তার মধ্যে পচিচ্চে, বানের পানি খাইয়া বাচিচ্চি’

অচেনা জেলা গাইবান্ধা। অচেনা এই অর্থে এর আগে কখনও যাওয়া হয়নি। পথ-ঘাট কিছুই চিনি না। অথচ সেখানে দুর্গত মানুষের নিউজ আমাকে কাভার করতে হবে। ২২ জুলাই। সকালে প্রথম আলো বন্ধুসভা গাইবান্ধার সহসভাপতি হারেজ উদ্দিনকে সঙ্গে নিলাম। তাঁর কাছে জানতে চাইলাম, এবার কোনো এলাকা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। হারেজ জানালেন, গাইবান্ধার ফুলছড়ি। জেলা প্রশাসকের তথ্যেও তাই। এই উপজেলার সাতটি ইউনিয় পানি নিচে। শহরের পুরাতন বাজার থেকে অটোরিকশায় শুরু হলো সকালের পথ। সদর থেকে তিন থেকে চার কিলোমিটার ৫ পূর্ব দিকেই ফুলছড়ির সীমানা। যাত্রা ফুলছড়ির উদাখালী ইউনিয়নে। সদর থেকে সাত কিলোমিটার দূরে উপজেলার উদাখালি…

বিস্তারিত