আমাদের কথা

পড়তে সময় লাগবে: 1 minute

সংবাদকর্মীর দিনলিপি সম্পর্কে:

প্রতিনিয়ত যে অসংখ্য-অগণন ঘটনা ঘটে চলে আমাদের এই পৃথিবীতে, নানান ধারার মিডিয়ার মধ্য দিয়ে, তার মধ্যে খুব ছোট একটা অংশ হাজির হয় ‘খবর’ কিংবা ‘সংবাদ’ নামে। কীভাবে একটি ঘটনা খবর হয়ে ওঠে? কেন অসংখ্য ঘটনা খবর হয় না? বিদ্যায়তনিক শাস্ত্র বলবে, সংবাদযোগ্য ঘটনাই সংবাদ হয়, আর যে ঘটনা সংবাদযোগ্য নয়, তা হয় না। বিষয়টা কি এতোটাই সরল? তাহলে কেন একটি খবরকেই আলাদা আলাদা সংবাদ প্রতিষ্ঠান আলাদা আলাদাভাবে হাজির করে? আমরা যারা এই ওয়েবসাইটটির সঙ্গে যুক্ত, তারা বিদ্যায়তনিক শাস্ত্র হিসেবে সাংবাদিকতার পাঠ নিয়েছি, আবার পেশাগতভাবেও সংবাদকর্মী হিসেবে কাজ করছি। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বলছি, কোনও ঘটনার সংবাদ হওয়া না হওয়া আর একই ঘটনায় ভিন্ন ভিন্ন রকমের সংবাদ নির্মাণ হওয়ার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে থাকেন খবরের নেপথ্যে কাজ করা সংবাদকর্মীরা। পেশাগত জীবনে সংবাদকর্মী হিসেবে সেইসব বাস্তবতা যতোটা সম্ভব পাঠকের সামনে হাজির করা এই ওয়েবসাইটের প্রধানতম উদ্দেশ্য। কেবল বাংলাদেশ নয়, দুনিয়াজুড়েই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাশালীদের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও বিভিন্ন বিজনেস গ্রুপের কর্পোরেট ক্ষমতার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় আমাদের মূলধারার সংবাদমাধ্যম। কখনও চাপিয়ে দেওয়া সেন্সরশিপ, কখনও আবার স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপের মধ্য দিয়ে রচিত হয় প্রতিদিনের সংবাদ বাস্তবতা। সংবাদকর্মী হিসেবে আমরাও সেই বাস্তবতাতে বিরাজিত থাকি। পেশাগত অবস্থানের বাইরে থেকে পক্ষপাতহীনভাবে সেই সেন্সরশিপ-বাস্তবতাকে প্রকাশ্যে আনা এই ওয়েবসাইটের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। সেন্সরশিপের মধ্য দিয়ে যেসব সংবাদযোগ্য ঘটনাকে প্রতিদিন আড়াল করা হয়, যেসব ঘটনা সংবাদযোগ্য বলে বিবেচনাই করা হয় না, সেইসব ঘটনার একাংশকে পাঠকের সামনে হাজির করাও এই ওয়েবসাইটের লক্ষ্য। সঙ্গে সংবাদ ও মিডিয়া-সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপচারিতার মধ্য দিয়ে সংবাদ জগতের বাস্তবতা, সংকট ও সম্ভাবনা পর্যালোচনা করাও এই সাইটের উদ্দেশ্য। এই ওয়েবসাইটের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সেগমেন্ট শিশুর জন্য সাংবাদিকতা। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে সত্যিকারের জনমুখী সাংবাদিকতার নজির স্থাপন করতেই এই বিভাগটি রাখা হয়েছে।