শিশুর জন্য সাংবাদিকতা 

লাল চোখের গেছো ব্যাঙ

সর্বশেষ আপডেটঃ

পড়তে সময় লাগবে: 1 minute

চোখজোড়া লাল, গায়ের রং সবুজ। থাকেও সবুজ পাতায়, ডিমও পারে সেখানে। লাফিয়ে চলা এই ব্যাঙটি ডিম পাড়ার জায়গাও খুঁজে বের করে খুব সুক্ষ্মভাবে। মধ্য আমেরিকার এই ব্যাঙটি খুব সহজেই গাছে উঠতে পারে। আর সেখান থেকে  একটি পাতায় ডিম পারে। তবে সেই পাতাটি থাকে পুকুরের বা জলাশয়ের ঠিক ওপরে। ডিম যখন ফুটতে শুরু করে, তখন ভেতরে থাকা ব্যাঙাচিগুলো পাতায় এসে ছুটোছুটি করতে থাকে। তাদের ভারে পাতা সেই পানিতেই নেমে, সঙ্গে নেমে যায় ব্যাঙাচিগুলো। শুরু হয় ব্যাঙের জীবনচক্র।

পানিতে ছোট ছোট কীট-পতঙ্গ খেয়েই কাটে ব্যাঙ্গাচির প্রাথমিক অবস্থা। একটা সময় ছোট ব্যাঙে পরিণত হয়। একে মেটামরফোজ অবস্থা বলে। এসময়ই ব্যাঙ পানি ছেড়ে ডাঙায় আসে। গাছে ওপর ‍উঠে গেছো ব্যাঙ হিসেবে জীবন শুরু করে।

পূর্ণবয়স্ক হতে হতে ব্যাঙ সবুজ রং ধারণ করে, গায়ে থাকে নীল ও হলুদ ছোপ। পায়ের রং কিছুটা কমলা কিংবা লাল। রানের কাছে হালকা আর চোখ একদম লাল। ব্যাঙ তখন একদমই রঙিন।

এই উজ্জ্বল রং অনেকটা আত্মরক্ষার কাজেও লাগে তাদের। সবুজ রংয়ের কারণে তারা পাতার সঙ্গে মিশে যেতে পারে। সাধারণ কোনও প্রাণীর চোখে পড়ে না তখন। এছাড়া কেউ দেখে ফেললেও পালানোর সময় অন্যান্য রং কাজে লাড়ে। উজ্জ্বল লাল রংয়ের চোখও তখন কাজে লাগে।

ব্যাঙ যখন পালাতে থাকে তখন উজ্জ্বল রংয়ের পা থেকে আলোর ঝলকানি আসে। তাতে শিকার করতে আসা প্রাণী হকচকিয়ে যায়। দ্বিধায় ভুগতে থাকে যে কি করবে। সে সুযোগেই পালিয়ে যায় ব্যাঙ।

ছবি ও তথ্যসূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক

আরও পড়ুনঃ

Leave a Comment