শিশুর জন্য সাংবাদিকতা 

এক ছোট্ট শিশুর দুর্গম পাহাড় জয়ের গল্প

সর্বশেষ আপডেটঃ

পড়তে সময় লাগবে: 1 minute

প্রাকৃতিক একশিলা স্তম্ভ বা পাথরের পর্বত ‘এল কাপিতান’। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ইয়োসেমিটে ন্যাশনাল পার্কের ইয়োসেমিটে উপত্যকার উত্তর পাশে এর অবস্থান। তিন হাজার ফুট উঁচু এল কাপিতান পাহাড়ের চূড়ায় ওঠা কোনও সহজ কাজ নয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন বুর্জ খলিফার চেয়েও সুউচ্চ এটি। গ্রানাইট পাথরের ওই পর্বতে আরোহণ করতে গিয়ে মৃত্যুও বরণ করতে হয়েছে কাউকে কাউকে। তবে সে দুর্গম পথ পুরোটুকু পাড়ি দিতে সক্ষম হওয়া পর্বতারোহীর সংখ্যা তার চেয়ে বেশি।

সম্প্রতি এ পাথরের পর্বতটির চূড়া ছুঁয়েছে দশ বছরের শিশু সেলাহ শ্নাইটার। কঠিন সে পর্বত যাত্রায় তার সঙ্গী হয়েছিলেন বাবা মার্ক শ্নাইটার ও পারিবারিক বন্ধু মার্ক রাইগার। গত ১২ জুন এ দলটি পাঁচ দিনের সে পর্বতযাত্রার সমাপ্তি টানে।

গত ১৯ জুন মার্কিন টিভি চ্যানেল এনবিসি’র টুডে অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেলাহ জানায়, পর্বতের চূড়ায় উঠতে পারাটা ‘সত্যিকার অর্থে অভিভূত হওয়ার’ বিষয়। তবে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো পাহাড় থেকে নিচে নেমে আসা। কারণ ততোক্ষণে পর্বতারোহীরা ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং সে অবস্থাতেও সঙ্গে নিয়ে যাওয়া জিনিসপত্র বহন করতে করতেই নিচে নেমে আসতে হয়।

সেলাহ’র পরিবারের প্রত্যেকেই পর্বতারোহণ করতে ভালোবাসে। পর্বতারোহণ অনুশীলনের জন্য গ্যারেজে তাদের একটি আরোহণ প্রাচীর বা ক্লাইম্বিং ওয়াল রয়েছে। ১৫ বছর আগে পর্বতারোহণ করতে গিয়েই পরিচয় হয় সেলাহ’র মা-বাবার। আর সে সূত্রেই পরিণয় তাদের।

মেয়ের এল কাপিতানের চূড়ায় আরোহণ নিয়ে বলতে গিয়ে সেলাহ’র বাবা বলেন, ‘সে সময় ওর মধ্যে যতোখানি মনের জোর ও শক্তি দেখেছি, তা নিয়ে আমি খুব গর্বিত। এ কাজের জন্য ও অনেক প্রস্তুতি নিয়েছে, প্রশিক্ষণ নিয়েছে।’

এল কাপিতানের চূড়ায় আরোহণকারীদের মধ্যে সেলাহ কনিষ্ঠতম কিনা সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ইয়োসেমিটে এর এক মুখপাত্র ইউএসএ টুডেকে জানিয়েছেন, পার্কটি এ ধরনের রেকর্ডগুলো সংরক্ষণ করে না।  

আরও পড়ুনঃ

Leave a Comment